প্রতিনিধি ৮ মে ২০২৬ , ৭:০১:০৯ অনলাইন সংস্করণ
কে এম শাহীনুর রহমানঃ
সাতক্ষীরার তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন জমে উঠেছে। দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে নিরবচ্ছিন্ন গণসংযোগ করে চলেছেন প্রার্থীরা। এবারের নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে ২ জন করে প্রতিদ্বিতা করছেন। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে চশমা প্রতিক নিয়ে কুমিরা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন এগিয়ে আছেন বলে একটি সূত্র জানায়।

শনিবার (১৬ মে) তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। এই নির্বাচনে ৮ শ শিক্ষক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বিগত কমিটির সভাপতি জগদীশ চন্দ্র হালদার এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন সুভাশিনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক পদে গতবারের সাধারণ সম্পাদক সজিবোদৌলার সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন, কুমিরা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক, বিনয়ী, সদালাপী, দ্বায়িত্বশীল, কঠোর পরিশ্রমী, তালা উপজেলা স্কাউটস এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা স্কাউটস এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। কোষাধ্যক্ষ পদে গতবারের কোষাধ্যক্ষ অজয় কুমার দাশের প্রতিদ্বন্দিতা করছেন ফলেয়া চাঁদকাটি অগ্রণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফিরোজ কবির। গত ৫ আগষ্টের পরে সাবেক নেতৃবৃন্দ সমিতির কোনো কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারেনি। সিদ্ধান্তহীনতার কারণে অনেকাংশে পিছিয়েছে সংগঠনের কার্যক্রম। সমিতির দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে না পারা, সিদ্ধান্তহীতনা ও নেতাদের মধ্যে সমন্বয় না থাকা বিষয়টি এই নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে একটি সূত্র জানায়।
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা যারা নির্বাচন করছি সবাই যোগ্য। আমি নির্বাচনের মাধ্যমে তালা উপজেলা স্কাউটস এর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম। এখানে দ্বায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার জন্য আমার উপর বিশ্বাস রেখে জেলা স্কাউটস এর সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন। আমার আচার, ব্যবহার সম্পর্কে সকল সহকর্মী অবগত আছেন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, এই নির্বাচনে প্রিয় সহকর্মী ভাই বোনেরা অতীতের মতো আমার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।
তিনি বলেন, প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ যদি তাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে সবার আগে আমার কাজ হবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সংগঠনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। যদি কাজ করার সুযোগ পাই, তাহলে নির্বাচনী ইস্তেহারে উল্লেখিত বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করবো বলে জানান তিনি।

















