প্রতিনিধি ২ মে ২০২৬ , ১০:৩৬:৪০ অনলাইন সংস্করণ
কে এম শাহীনুর রহমান:
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে অভূতপূর্ব অবদান রেখে চলেছেন তোবা পাইপ এ্যান্ড ফিটিংস ইন্ডাস্ট্রিজ এর স্বাত্তাধিকারী মীর শহিন হোসেন। ২ শতাধিক বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ করে দিয়ে সর্বমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।
সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের কার্পাসডাঙ্গা গ্রামে ২০১২ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন তালা উপজেলার ঘোনা গ্রামের বিশিষ্ট স্বর্ণ ব্যবসায়ী মীর জামাল হোসেনের একমাত্র ছেলে মীর শাহিন হোসেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২০০০ সালে ঘোনা পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে ঠিকাদারি ব্যবসার সাথে যুক্ত হন মীর শাহিন হোসেন। বাবার ব্যবসার দিকে নজর না দিয়ে নিজেই প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য জীবন সংগ্রামে নেমে পড়েন তিনি। এসময় টেন্ডারের মাধ্যমে রাস্তা তৈরির কাজ করার পাশাপাশি দাতা সংস্থা এ্যকশন এইড এর অর্থায়নে তালায় বন্যা পরবর্তী পূর্ণবাসনের কার্যক্রম শুরু করেন। এর ২ বছর পরে পাটকেলঘাটা বাজারে দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে স্যানেটারী ব্যবসা শুরু করেন। এই ব্যবসার সফলতা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। তিনি নিজেই প্রতিষ্ঠিত হওয়া ও এলাকার বেকার সমস্যা সমাধানের গড়ে তোলেন এই প্রতিষ্ঠানটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারী নির্দেশনা মেনে, কর্মচারীদের নিরাপত্তা বিধান করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে কারখানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মচারীরাও এখানকার কাজের পরিবেশ ও কর্তৃপক্ষের আচরণে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
একান্ত আলাপচারিতায় মীর শাহিন হোসেন বলেন, এসএসসি পাস করে ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করি। এসময় তালা উপজেলায় ব্যাপক বন্যা হয়। বন্যা পরবর্তী পূর্ণবাসনে দাতা সংস্থা এ্যাকশন এইড এর অর্থায়নে গরীর মানুষের ঘর তৈরীর কাজ করি। এর ২ বছর পরে পাটকেলঘাটা বাজারে দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে স্যানেটারী ব্যবসা শুরু করি এবং ২০১২ সালে এখানে জমি কিনে সরকারী সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের অনুমোদন নিয়ে এই পাইপ তৈরির ফ্যাক্টরী তৈরী করি। এখানে এখন ২’র অধিক কর্মচারী কাজ করে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভাবে প্রায় ২ হাজার লোকের রুটি রুজি এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যোগাড় হয়ে থাকে। এখানেসম্পূর্ণ বিদেশি কাঁচামাল ব্যবহার করে অটোমেটিক মেশিনের মাধ্যমে প্লাস্টিকের পাইপ তৈরী করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সাতক্ষীরা জেলায় সর্বশ্রেষ্ট করদাতা হিসেবে পুরস্কার পেয়েছিলাম। এছাড়াও বিএসটিআই থেকে শ্রেষ্ট পুরস্কার, পরিবেশ অধিদপ্তর পুরস্কারসহ এই প্রতিষ্ঠান একাধিক পুরস্কার পেয়েছে।

















