তালা

তালা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স চালক ইনামুলের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ!

  প্রতিনিধি ৩ জুলাই ২০২৬ , ৬:১১:০৭ অনলাইন সংস্করণ

{"source_type":"vicut","data":{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"18.4.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"UBMUXY2Q-5NZJ-KVWX-3R7Z-LD4L9I5Y5302","pictureId":"UBMUXY2Q-5NZJ-KVWX-3R7Z-LD4L9I5Y5302","capability_name":"capcut_photo_editor"},"tiktok_developers_3p_anchor_params":"{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"18.4.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"UBMUXY2Q-5NZJ-KVWX-3R7Z-LD4L9I5Y5302","pictureId":"UBMUXY2Q-5NZJ-KVWX-3R7Z-LD4L9I5Y5302","capability_name":"capcut_photo_editor"}"}

কে এম শাহীনুর রহমানঃ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স চালাক ইনামুলের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে জোরপূর্বক অতিরিক্ত টাকা আদায়, ভাড়ার টাকা জমা না দেয়া, রুগীর সাথে খারাপ ব্যবহার করা, কর্মস্থলে অবস্থান না করাসহ নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে। সে উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলী শেখের ছেলে।

‎প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল পর্যন্ত এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ৭শ টাকা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত ৯শ টাকা ভাড়া নির্ধারিত। গত ২৬ জুন উপজেলার বারুইহাটি গ্রামের আব্দুল মান্নান মোড়লের স্ত্রী মাহফুজা বেমম কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১ হাজার ১শ টাকা ভাড়া নেয়া হয়েছে। উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের মৃত্যু সৈয়দ শাহারিয়ার হোসেনের স্ত্রী কে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে ৩ হাজার ৫শ টাকা ভাড়া চাওয়া হয়। অনেক দর কষাকষি করে ২ হাজার ২শ টাকা দিয়ে সে যাত্রা রক্ষা পায়। তালা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রশিদ বই পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এই ২ দিনের কোনো টাকা জমা দেয়া হয়নি। সমুদয় টাকা ড্রাইভার ইনামুল আত্মসাৎ করেছেন। সরকারী চাকুরী বিধি অনুযায়ী এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার কে ২৪ ঘন্টা কর্মস্থলে থাকার কথা থাকলেও তিনি স্থানীয় হওয়ায় কর্মস্থলে না থেকে বাড়িতে থাকেন। জরুরী প্রয়োজনে মোবাইলে অনুনয় বিনয় করে ডেকে আনতে হয় বলে একাধিক ভূক্তভোগী জানায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একাধিক কর্মচারী জানান, অফিস প্রধানের ছত্রছায়ায় ড্রাইভার ইনামুল টাকা আত্মসাৎ করে। তাদের ধারণা, এই ঘটনার সাথে হাসপাতালের প্রধানও জড়িত বলে জানান তারা।

সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে, বারুইহাটি গ্রামের আব্দুল মান্নান মোড়ল বলেন, গত ২৭ জুন আমার অসুস্থ স্ত্রী মাহফুজা বেগম কে উন্নত চিকিৎসার জন্য তালা হাসপাতাল থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আমার কাছে ১ হাজার ৫শ টাকা ভাড়া চায়। আমি অনেক অনুরোধ করে ১ হাজার ১শ টাকা দিই।

‎জেয়ালা নলতা গ্রামের সৈয়দ কোমল বলেন, তালা হাসপাতাল থেকে আমার মাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। এখান থেকে খুলনা এ্যাম্বুলেন্সের সরকারী ভাড়া ৯শ টাকা। এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আমার কাছে ৩ হাজার ৫শ টাকা ভাড়া চায়। আমি দিতে না হলে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। শেষে ২ হাজার ২শ টাকা দিয়ে সে যাত্রা রক্ষা পাই।

এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার ইনামুল হক বলেন, আমি জোর করে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়নি। এই ২ দিনের টাকা অফিসে জমা হয়নি কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবিষয়ে স্যারের সাথে কথা বলেন। কর্মস্থলে থাকার কথা থাকলেও আপনি থাকেন না কেন জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত চলে যান।

হাসপাতালের আরএমও ফয়সাল আহমেদ বলেন, এ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার টাকা রশিদ কেটে জরুরী বিভাগে জমা রাখা হয়। মাস শেষে হিসাব বিভাগের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে জমা দেয়া হয়। এই ২ দিনের টাকা জমা না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমার জানা নেই। বিষয়টি নিয়ে স্যারের সাথে কথা বলবো।

‎উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আর্থিক বিষয়ে কোনো বিষয় জানতে হলে লিখিত আবেদন করতে হয়। তখন তদন্ত কমিটি গঠন করে সঠিক তথ্য দেয়া সম্ভব হয়।তার পরও বিষয়টি যেহেতু জেনেছি, অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও খবর