প্রতিনিধি ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:১৬:২৩ অনলাইন সংস্করণ
কপোতাক্ষ টাইমস ডেক্স:
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কলিয়া বাজারে প্রতারক নুরুল ইসলাম মাস্টারের নিকট থেকে জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন কৃষক ইয়াছিন আলী মোড়ল। সে কলিয়া গ্রামের একব্বার মোড়লের ছেলে।
সরেজমিন পরিদর্শনে জানা যায়, উপজেলার কলিয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম মাস্টারের কাছে থেকে তেঁতুলিয়া-নওয়াপাড়া সড়কের কলিয়া বাজারে ১১২২ দাগে ১ শতক জমি ক্রয় করে। ঐ বাজারে ইয়াছিন আলীর পিতারও ১ শতক জমি আছে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় দলিলে উল্লেখিত জায়গার পরিবর্তে পিতার জায়গার পাশ অন্যের জমির মধ্যে ১ শতক জমি দেখিয়ে দেয়া হয়। সেই দেখিয়ে দেয়া জায়গায় প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি পাকা দোকান ঘর তৈরী করেন। পরবর্তীতে জমির প্রকৃত মালিক সে দোকান ভেঙে জায়গা দখল করে নেয়। তখন নুরুল ইসলাম অন্য একটি দোকান দেখিয়ে দিয়ে অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা নেয়। ইয়াছিন মোড়ল জমি দখলে যাওয়ার চেষ্টা করলে নুরুল ইসলামের সন্ত্রাসী পুত্র বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক মৃণাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ইমরুল কবির আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে বাহিনী দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে এবং একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করে।
ভূক্তভোগী ইয়াছিন মোড়ল বলেন, নুরুল মাস্টারের দেখিয়ে দেয়া ঘরে ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করলে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে নুরুল ইসলামের সন্ত্রাসী পুত্র বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক মৃণাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ইমরুল কবির তার বাহিনী দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে জোর করে ঘর থেকে নামিয়ে দেয় আমার নামে ৩ টি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে। এসময় সে ঘর দখলে রাখার জন্য স্থানীয় বিএনপির সাথে যোগাযোগ করে যুবদলের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে অনেকবার মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। আমি খুবই গরীর মানুষ।
তিনি বলেন, এই পরিবারের লোকজন যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন সেই দলে ঢুকে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এলাকায় রাতে পার্টির আমলে তালা বাজারে মা-মেয়ের সাথে পরকীয়ার কারণে তার কান কেঁটে নিয়েছিলো। অন্য আর এক নারীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে তার বাহিনী দিয়ে এক লাইব্রেরীর মালিক কে মেরে আহত করেছিলো। এখন বিএনপির সাথে মিশে আমাকে দলীয় ট্যাগ লাগিয়ে জামায়াতের নেতাদের নামে বিভিন্ন রকম কুৎসা রটনা চালাচ্ছে। তাদের নোংরামির কারণে এলাকার অধিকাংশ লোক তাদের অপছন্দ করে। এই ইমরুল বাহিনীর ভয়ে আমার দখলীয় ঘরে উঠতে পারছি না। এখন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি ফিরে পেতে প্রশাসন সহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।
ইমরুল কবির বলেন, আমার পিতার কাছে থেকে যে জমি কিনেছে সেই জায়গা এটা না। তার জমি রাস্তা থেকে ভিতরে। দোকান ঘর তৈরীর জন্য অন্যের জায়গা দেখিয়ে দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতি করে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে কোনো উত্তর দিতে পারেনি।

















