প্রতিনিধি ১১ মার্চ ২০২৬ , ৯:১২:০১ অনলাইন সংস্করণ
কপোতাক্ষ টাইমস ডেক্স :
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার রায়পুরে দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জোর পূর্বক দখলের চেষ্টা করে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃণাল কান্তি রায় ও তার ক্যাডার বাহিনী। এসময় সুশান্ত মন্ডল ও তার লিলিমা মন্ডল কে পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় লিলিমা মন্ডলের বাঁহাত ভেঙে যায়। এদের সাহায্যের জন্য লক্ষীকান্ত মন্ডলের স্ত্রী কাকলী মন্ডল এগিয়ে আসলে তার পরিধেয় কাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। এ ঘটনায় লিলিমা মন্ডল কে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, তালা উপজেলার রায়পুর মৌজার ১০৭ নং খতিয়ানের ৩৫৭ ও ৩৬২ দাগের ১ একর ২১ শতক জমির মধ্যে হতে ৭০ শতক জমি ১৯৬২ সালে (ক) তপশিলি ভূক্ত হয়। ১৯৭৬ সাল থেকে রায়পুর গ্রামের মৃত্যু রাজেন্দ্র নাথ মন্ডলের ছেলে ধীরেন্দ্র নাথ মন্ডল এই জমি ৪৪১ ও ৪৪২ দাগের ৭০ শতক জমি ইজারা নিয়ে একপাশে কাঁচা বসত ঘর তৈরী করে বসবাস করে এবং বাকি জমিতে চাষাবাদ করে। ৫ বছর পূর্বে ধীরেন্দ্র নাথ মন্ডলের মৃত্যুর পরে তার ওয়ারেশগণ আর ইজারা না নেয়ার সুযোগে গত ৫ আগষ্টের পারে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দলীয় ক্যাডার, এলাকার প্রথম শ্রেণীর টাউট, সন্ত্রাসী, একাধিক মামলার আসামী মৃত্যু আক্কাজ পাড়ের ছেলে নজরুল পাড় ও তার নিকট আত্মীয় রায়পুর গ্রামের মৃত্যু অধীর বাছাড়ের ছেলে প্রশান্ত বাছাড়ের নামে একশনা বন্দোবস্ত নেয়। এর পর থেকে সন্ত্রাসী নজরুল ও তার পুত্র নামধারী সাংবাদিক কুদ্দুস পাড় প্রায়ই তাদের ভিটাবাড়ি উচ্ছেদ করার জন্য হুমকি ধামকি দেয়। এই নজরুলের ভয়ে তারা বাড়ি হতে বেরুতে ভয় পায়। রাস্তা আটকিয়ে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেয়।
এই একই জমি নিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায় সমূর্ণ দখলের জন্য পক্ষভূক্ত হয়ে সাতক্ষীরা এডিএম আদালতে মামলা দায়ের করে গোপনে রায় করে নেয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি জানা জানি হলে সুশান্ত মন্ডল ও লক্ষীকান্ত মন্ডল একই মামলায় পক্ষভূক্ত হয়।
গতকাল মৃনাল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান হলুদ সাংবাদিক কুদ্দুসের পিতা নজরুল জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে। এসময় রক্ষা করতে লিলিমা মন্ডল, সুশান্ত মন্ডল বাঁধা দিতে আসলে মৃনাল ও নজরুল লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে লিলিমার হাত ভেঙে দেয় এবং সুশান্ত মন্ডল কে পিটিয়ে আহত করে। তাদের সহযোগিতার জন্যে ভায়ের স্ত্রী কাকলী মন্ডল এগিয়ে আসলে তার পরিধেয় কাপড় ছিড়ে সন্ত্রাসী নজরুল শ্লীলতাহনির চেষ্টা করে।
সুশান্ত মন্ডলের ছেলে স্বপন মন্ডল বলেন, ১৯৭৬ সাল থেকে আমাদের পূর্ব পুরুষরা এই জমি ইজারা নিয়ে বাড়িঘর বানিয়ে বসবাস করে। গত ৫ আগষ্টের পরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায় ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান একাধিক মামলার আসামী নজরুল ও তার শ্যালকের নামে একশনা বন্দোবস্ত নিয়ে আমাদের ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। আমরা হিন্দু মানুষ, সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকি। মৃনাল রায়ের ইন্দনে সে প্রায়ই পথ আটকিয়ে আমাকে হত্যা করতে চায়। সে বাজারের মধ্যে প্রকাশ্যে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলো। গতকাল মৃনাল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান হলুদ সাংবাদিক কুদ্দুসের পিতা নজরুল জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে। এসময় ভিটেবাড়ি রক্ষা করতে আমার মা লিলিমা মন্ডল, বাবা সুশান্ত মন্ডল বাঁধা দিতে আসলে মৃনাল ও নজরুল লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মা’র হাত ভেঙে দেয় এবং বাবা কে পিটিয়ে আহত করে। তাদের সহযোগিতার জন্যে আনার কাকি কাকলী মন্ডল এগিয়ে আসলে তার পরিধেয় কাপড় ছিড়ে সন্ত্রাসী নজরুল শ্লীলতাহনির চেষ্টা করে। আমি বাড়ি ফিরে মাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায় বলেন, আমি ওদের মারতে যাব কেন? আমার লোকজন আছে না। আর আমি যদি মেরে থাকি তাহলে আনার নামে মামলা করুক পারলে ঠেকাবো।

















