Friday , 29 March 2024 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন ও আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আশাশুনি
  7. কক্সবাজার
  8. কলারোয়া
  9. কালিগঞ্জ
  10. কিশোরগঞ্জ
  11. কুড়িগ্রাম
  12. কুমিল্লা
  13. কুষ্টিয়া
  14. কৃষি
  15. খাগড়াছড়ি

শধু মাপামাপি হয়, কোনো কাজ হয় না! 

প্রতিবেদক
Kopotakkho Times
March 29, 2024 11:13 am

কে এম শাহীনুর রহমানঃ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ৪ নং কুমিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১ লক্ষ টাকা উঠিয়ে নিলেও কোনো কাজ করেননি। শুধু মাপামাপি করেই এটাকা হজম করে ফেলেছেন তিনি। 

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কাবিটা (বিশেষ) প্রকল্পে সাবেক সাংসদ এ্যড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ কুমিরা ইউনিয়নে রাঢ়ীপাড়া সুব্রত দাশের বাড়ির সামনে হতে অচিন্ত্য দাশের বাড়ি অভিমুখে রাস্তা মাটি দ্বারা সংস্কার ও ইটের সোলিং করণে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেন। পাশ হওয়ার সাথে সাথে প্রথম কিস্তির ১ লক্ষ টাকা উঠিয়ে নেন কুমিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, রাঢ়ীপাড়ার সুব্রত দাশের বাড়ির সামনে জগধাত্রী পূজা মন্দির থেকে অচিন্ত্য দাশের বাড়ি অভিমুখে রাস্তায় ইটের সোলিং তো দূরের কথা এক ঝুড়ি মাটিও পড়েনি।

স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা হলে তারা বলেন, কয়দিন পরপর বাইরের থেকে দুই এক জন লোক আসে সাথে রফিকুল থাকে। শুধু মাপামাপি করে চলে যায়, কোনো কাজই করে না। আমরা শুনি সে নাকি চেয়ারম্যানি করবে। চেয়ারম্যান না তাই প্রকল্প খেয়ে ফেলছে আর চেয়ারম্যান হলে তো ইউনিয়ন বেঁচে ফেলবে বলে মন্তব্য করেন তারা।

প্রকল্পের সভাপতি রফিকুলের জানতে চাইলে সাংবাদিকদের ধমকের সুরে বলেন, কাজ করিনি তাই কি হয়েছে?  আমার হাতে জুন মাস পর্যন্ত সময়। যখন পারি তখন করব। আপনাদের সমস্যা কি? ইতিপূর্বে দেখা যায়,  সাংবাদিক দেখলে তার গায়ে ফুসকা ওঠে। এমনকি বিভিন্ন কর্মসূচীতে সাংবাদিকদের বিশোদাগার করতে শোনা যায়।

কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের একজন ইউপি সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান প্রকল্প পেলে কাজ করেন ৯০ ভাগ, মেম্বররা কাজ করেন ৮০ ভাগ আর রফিকুল পেলে পুরা প্রকল্পই ভোগে।

তালা উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা ওবায়দুল হক বলেন, কাজ না করায় প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা রফিকুল ইসলাম কে দেয়া হয়নি। কাজ না করে বিল তুলে নেয়ার সুযোগ নেই।  আমরা প্রকল্পের কাজের আগের ছবি ও জাজের পরেে ছবি জমা নিব। এরপর সরেজমিনে কাজের গুনগত মান পরীক্ষা করে তারপর বিল ছাড়ি। তাছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যার সরাসরি প্রকল্প না দেখে চেকে স্বাক্ষর করেন না। আপনার সাথে কথা হওয়ার পরে রফিকুল সাহেবের সাথে কথা বলেছি। তিনি কাজ না করার কথা স্বীকার করেছেন। আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে কাজ না করলে প্রকল্প বাতিল হয়ে যাবে। এ কথা তাকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান এই প্রকল্প কর্মকর্তা।

সর্বশেষ - তালা